ইসলাম টাইমস ডেস্ক: করোনা সংক্রমণের পর থেকেই ভারতে বেড়ে গেছে ভয়াবহ রকমের ইসলাম বিদ্বেষের ঘটনা। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে ভারতের বর্তমান হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার মুসলিম দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
দেশটিতে লকডাউন ঘোষনার পর বিভিন্ন রাজ্যে মসজিদে লাউড স্পীকারে আযান দেওয়াকে নিষেধ করে রুল জারি করা হয়েছে। কট্টর হিন্দু নেতা যোগি রাজ্য উত্তরপ্রদেশেও আযান নিষিদ্ধ করা হয়েছিল লাউডস্পীকারে।
এদিকে উত্তরপ্রদেশে আযান নিষিদ্ধের প্রতিবাদে এলাহাবাদ হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তবে এলাহাবাদ হাইকোর্ট বেঞ্চ লাউডস্পীকারে আযান নিষিদ্ধের হুকুমকে জারি রেখেছে।
আরো পড়ুন: মুসলিম রোগীদের চিকিৎসা দেবে না ভারতের উত্তর প্রদেশের ডাক্তাররা!
হাইকোর্টের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের আযান মুসলমানদের জন্য জরুরী হলেও তা উচ্চস্বরে দেওয়া জরুরী নয়। তাই লকডাউন অবস্থায় লাউডস্পীকারে আযান নিষিদ্ধের হুকুম জারি থাকবে।
এদিকে ভারতের ধর্মীয় নেতারা এটিকে সংবিধান বিরোধী ঘটনা আখ্যা দিচ্ছেন। তারা দাবি করছেন মুসলমানরা স্বেচ্ছায় বাড়িতে নামায পড়লেও নিছক উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবেই আযান নিষিদ্ধেে এ নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
আরো পড়ুন: করোনায় মুসলিম বিদ্বেষ: এবার মহারাষ্ট্রে নিষিদ্ধ করা হলো উচ্চস্বরে আযান
















