ইসলাম টাইমস ডেস্ক: আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যখন করোনা মহামারি থেকে উত্তরণের জন্য ব্যস্ত, তখন এই সুযোগটা নিজেদের সাম্রাজ্য বিস্তারে কাজে লাগাচ্ছে ভারত ও ইসরাইল।
ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, মানুষের বিভিন্ন ব্যস্ততাকে সময়ে সময়ে বিভিন্ন শাসক নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে ব্যবহার করেছেন। ১৯৩৬ সনে ফ্রান্স যখন জাতীয় বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ব্যস্ত, তখন এই সুযোগে ভার্সাইলস চুক্তি লংঘন করে জার্মানির নাৎসি বাহিনী তাদেরকে পুনরায় সংগঠিত করে।
সাম্রাজ্যবাদী বিভিন্ন শক্তি সব সময় মানুষের ব্যস্ততাকে নিজেদের সাম্রাজ্য বিস্তারে কাজে লাগিয়েছে। ২০০৮ সনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বেইজিং অলিম্পিক গেম নিয়ে ব্যস্ত থাকার সময় রাশিয়া কর্তৃক জর্জিয়ার উপর হামলাকে এই দৃষ্টিতেই দেখা হয়।
রাজনীতিকদের নিকট এই নিয়ম এখন গোপন কিছু নয় যে তারা বিদেশ নীতিকে বিভিন্ন সময় দেশের নাগরিকদের মনোযোগ দেশের বিভিন্ন সমস্যা থেকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য ব্যবহার করে। জেনারেল কাসেম সুলাইমানির হত্যার মাধ্যমে ট্রাম্প তার ইমপিচমেন্ট শোনানি থেকে বাঁচতে চেয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।
আরো পড়ুন: এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশ: লকডাউনে লাউডস্পীকার ছাড়াই আযান দিতে হবে
কোনো সংকটকে বৃথা যেতে দিও না –এটা বর্তমান রাজনীতিকদের একটি কূট কৌশল। আর করোনা মহামারিকে কেন্দ্র করে সেটার অনুসারণ করছেন মোদি ও নেতানিয়ানিয়াহু।
এ বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই ইসরাইলের অতি সম্প্রতি ইসরাইলের ফিলিস্তিন দখলের চেষ্টাগুলো তাদেরেএই নীতির ফল। তারা জানে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় করোনা মহামারি নিয়ে ব্যস্ত। তারা এ বিষয়ে মাথা ঘামাবে না । কোনো প্রতিবাদ তারা করবে না। লক ডাউনের এই সুযোগে একই আচরণ করছে ভারত। লকডাউনের সুযোগে তারা কাশ্মীরে জুলুম নির্যাতন বাড়িয়ে দিয়েছে। পেছনে তাকালে দেখা যায়, ভারত কাশ্মীরের ক্ষেত্রে সেই নীতিই অবলম্বন করছেন ইসরাইল ফিলিস্তিনে যে নীতি অবলম্বন করেছিল।
আরো পড়ুন: ধর্মীয় অঙ্গনকে নিশানা বানানোর চেষ্টা নিন্দনীয়: পাক শীর্ষ আলেমদের বিবৃতি
সূত্র : টিআরটি
















