মুহাম্মদ গোলাম রব্বানী।।
অনেক সময় ছোট বাচ্চাদের উচ্ছিষ্ট খাবার প্লেটে রয়ে যায়। অনেক সময় পাতিলের তলায় ভাত তরকারী রয়ে যায়। গ্রামে এ সব খাবার হাঁস মুরগীকে দেয়া হয়। তবে শহরে এ সব খাবার ফেলা হয় ময়লার ঝুড়িতে। তা চলে যায় ডাস্টবিনে। সেখান থেকে আবার চলে যায় ময়লার বিশাল স্তুপে। এ উচ্ছিষ্ট খাবারগুলো কুকুর, বিড়াল, পশুপাখি খাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়।
আমার আম্মা যখন আমাদের বাসায় আসতেন তখন বলতেন, প্লেটের উচ্ছিষ্ট খাবারটুকু জানালার কার্নিশে বা বারান্দার সামনের সানশেডে ঢেলে দিতে। আমরা তাই করা শুরু করলাম। সাথে সাথে পাখি এসে খুব আগ্রহ করে পরম তৃপ্তির সাথে খাবারগুলো খেয়ে নেয়। অনেক সময় সেখানে খাবার না পেলে পাখিগুলো জানালায় এসে খাবার চাওয়া শুরু করে। আম্মা বললেন, নষ্ট খাবারও যদি তাদেরকে খাওয়ানোর ইচ্ছায় এভাবে কার্নিশে দেয়া হয় তাহলে সদকা করার সওয়াব পাওয়া যাবে। আম্মা বলার পর থেকে নিয়মিত আমরা খাবার দেই। আম্মা আমাদেরকে এটা হাতে কলমে শিখিয়েছেন বলে আম্মাও সওয়াব পাচ্ছেন নিয়মিত। যত দিন আমরা করে যাব তত দিন তিনিও সওয়াব পেয়ে যাবেন। আপনি যদি করেন তাহলে আপনিও সওয়াব পাবেন। আপনার প্রচারের কারনে যদি কেউ তা করে তাহলে সেও সওয়াব পাবে, আপনিও পাবেন।
এ করোনার সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ফাঁকা। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার শত শত পাখি খাবারের অপেক্ষায় থাকে। একটু খাবার দেয়ার সাথে সাথে ১০/১৫টা পাখি চলে আসে। উচ্ছিষ্টের বাহিরেও আরো কিছু খাবার দেই রোগ ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকার জন্য।
এ সব উসিলায় আল্লাহ তায়ালা আমাকে আপনাকে সবাইকে যেন হেফাজত করেন। আমীন।
লেখকের ফেসবুক পোস্ট থেকে।
















