ইসলাম টাইমস ডেস্ক: করোনায় যখন জীবনযাপনে বেহাল দশা তখন ঝিনাইদহ ও যশোরের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কাছে ভোগান্তির নাম ভুতুড়ে বিল। ব্যবহার না বাড়লেও বিলের পরিমাণ বেড়েছে কয়েকগুণ। পরিশোধ করা বিলও যোগ হচ্ছে, নতুন বিলের সাথে। তবে বিল সমন্বয়ের আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ঝিনাইদহ সদরের ঝিনুকমালা আবাসন প্রকল্পের ঝালমুড়ি বিক্রেতা আজিজুর রহমান। পয়লা জুন পর্যন্ত তার বিদ্যুৎ মিটারের রিডিং ছিলো ৭ হাজার ৩৪১ ইউনিট। অথচ মে মাসের বিলেই রিডিং দেখানো হয়েছে ৭ হাজার ৪০০ ইউনিট। একে তো করোনায় উপার্জন বন্ধ, তারপর এই ভূতুড়ে বিল, যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘা।
এমন অভিযোগ, ঝিনাইদহ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড-ওজোপাডিকোর হাজারও গ্রাহকের। প্রতিদিন ভিড় করছেন বিদ্যুৎ বিভাগের অভিযোগ কেন্দ্রে। কিন্তু মিলছে না সমাধান। উল্টো হতে হয় হয়রানির শিকার।
কিন্তু এর ব্যাখ্যা দিতে রাজি নন, ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী পরিতোষ চন্দ্র সরকার।
ভূতুড়ে বিলের শিকার যশোরের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকরাও। অভিযোগের তীর, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিটার রিডারদের দিকে। গ্রাহকদের দাবি, অফিসে বসেই মনগড়া বিল করছেন তারা।
অভিযোগ আছে, বিল পরিশোধের পরও, তা বকেয়া দেখানোর।
অবশ্য পরবর্তী বিলে সমন্বয়ের আশ্বাস পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জিএম আব্দুল মান্নানের।
ঝিনাইদহে ওজোপাডিকোর গ্রাহক সংখ্যা এক লাখ ২৫ হাজার। আর যশোরে পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহক প্রায় ৯ লাখ।
















