বন্যার পানিতে ভেসে গেছে চলনবিলের ৪ শতাধিক পুকুরের মাছ

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: সিরাজগঞ্জে বন্যার পানি অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায়  গত ১ সপ্তাহে চলনবিল এলাকার ৯টি উপজেলায় অন্ততপক্ষে ৪ শতাধিক পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। এদিকে মাছ রক্ষার কাজে ব্যবহৃত নেটের দাম প্রকার ভেদে কয়েকশ’ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় ওই অঞ্চলের মৎসচাষীরা আরও বিপদে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, পাবনার ভাঙ্গুড়া , চাটমোহর ,ফরিদপুর,  নাটোরের সিংড়া, গুরুদাসপুর, নওগাঁর আত্রাই উপজেলার চলনবিল অধূষ্যিত এলাকায় গত ৮-১০ দিনে বন্যার পানি অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধ পেয়েছে, যা  এখনও অব্যাহত রয়েছে। বন্যার পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সাথে সাথে চলনবিলের নিম্নাঞ্চলে বানিজ্যিকভাবে মাছ চাষ করা শত শত পুকুর তলিয়ে যাচ্ছে।

চলনবিলের  তাড়াশের মাগুড়াবিনোদ গ্রামের মৎস্যচাষী জিয়াউর রহমান জানান, চলনবিলে পানি বৃদ্ধির ফলে এরই মধ্যে হাজার হাজার একর জলাতয়নের প্রায় ৪ শতাধিক মাছ চাষ করা পুকুর ভেসে গেছে। এতে কোটি টাকা মুল্যের মাছ ভেসে যাওয়ায় মৎস্যচাষীরা আর্থিকভাবে ক্ষতির সন্মুখীন হয়েছেন।

একাধিক মৎস্যচাষী জানান, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী ২-৩ দিনে আরো ২ শতাধিক পুকুর তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে চলনবিলের মৎস্য চাষীরা পুকুরে চাষ করা মাছ বন্যার পানি থেকে রক্ষার জন্য নেট বা জাল দিয়ে বেড়া দিচ্ছেন। কিন্ত গত ১ সপ্তাহে চলনবিলের হাট-বাজারে  প্রকারভেদে ১০০০  টাকা বান্ডিলের নেট বা জালের দাম বৃদ্ধি পেয়ে  ১৪০০-১৫০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এতে তারা আরও বিপদে পড়েছেন।

এ ব্যাপারে তাড়াশ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা  মাহমুদুল হাসান বলেন, চলনবিল একটি বৃহৎ এলাকা। এখানে বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের অপেক্ষিত নিচু পুকুরগুলো তলিয়ে যাচ্ছে । এতে চাষ করা মাছ ভেসে যাওয়ায় মৎস্য চাষীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

পূর্ববর্তি সংবাদদুর্নীতি অনুসন্ধানে এবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে দুদকের অভিযান
পরবর্তি সংবাদরিজেন্টে ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণে আইনি নোটিশ