ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ফরিদপুরের শালথায় সালাফীদের স্থাপনায় ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে। শালথার ঘটনা সম্পর্কে মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, সেখানে যা ঘটেছে তা কোনোভাবেই সমর্থন কিংবা প্রশ্রয়যোগ্য নয় ।
তিনি বলেন হানাফীদেরকে যারা ঈমান গ্রহনের দাওয়াত দেয় কিংবা লা-মাযহাবীদেরকে যারা ইসলাম থেকে খারিজ মনে করে উভয় পক্ষই সীমালংঘনকারী। এভাবে গায়ের জোর প্রয়োগের ফলাফল শুভ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে একথা বলেন তিনি।
মাওলানা মামুনুল হক আরো বলেন, ফরিদপুরের শালথার ঘটনা যেন নতুন কোনো বিশৃঙ্খলার মুখোমুখি না হয়, সেই দোয়া করি। এ যাবৎ বহু সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে যতটুকু জানলাম, তা হল সেখানে বিক্ষোভের আয়োজন ছিল গতকাল। ঘটনার সূত্রপাত দীর্ঘ দিনের হলেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে একজন মাদরাসা ছাত্রের উপর হামলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত গ্রামবাসী কর্তৃক।
এই ঘটনায় যেই তথ্যগুলো বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে, তারও অপনোদন জরুরী উল্লেখ করে ৩ টি পয়েন্ট তুলে ধরেন মাওলানা মামুনুল হক; এক. স্থানীয় গ্রামবাসীর দীর্ঘ দিনের ক্ষোভের বহি:প্রকাশ এটি । সুতরাং দ্বীনী কাজ এমন পদ্ধতিতে করা চাই, যেন তা মুসলমানদের মধ্যে বিভেদের কারণ না হয় ।
দুই. উত্তেজিত সংঘর্ষের সময় কোনো দায়িত্বশীল আলেম সেখানে ছিলেন না। সুতরাং আলেমদের বিরুদ্ধে মামলার উদ্যোগ সীমালংঘন হিসাবেই গণ্য হবে।
তিন. ভাঙচুরের শিকার ঘরটি আসলে মসজিদ নয়। সুতরাং এটাকে মসজিদ বলে প্রচার করা সঠিক নয়।
এছাড়া এ ঘটনায় কোনো ষড়যন্ত্র আছে কি না, কিংবা প্রকৃত ঘটনা কি, কারা দায়ী, যাবতীয় বিষয়গুলোর সুরাহার জন্য স্থানীয় ওলামায়ে কেরামের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান মাওলানা মামুনুল হক।
-এনটি
















