কুষ্টিয়ার ঘটনায় আলেম সমাজকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জড়ানোর অপচেষ্টা চলছে: বিশিষ্ট ওলামা-মাশায়েখ

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: দেশের বিশিষ্ট ওলামা-মাশায়েখগণ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, ‘কুষ্টিয়ায় ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় আলেম সমাজকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জড়ানোর অপচেষ্টা চলছে।’

ওলামা মাশায়েখ বলেন, কুষ্টিয়ায় বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনার সাথে এ দেশের আলেম-উলামার কোন সম্পর্ক নেই। ঘটনার পূর্বাপর বিশ্লেষণে বুঝা যায়, এতে গভীর কোন রহস্য রয়েছে। ইতিমধ্যে জনমনে এ বিষয়ে বহু প্রশ্ন ও সংশয় তৈরি হয়েছে।’

ওলামা মাশায়েখ বলেন, ‘যেমন- ইসলামবিরোধী ভার্স্কয ও মূর্তিবিরোধী আন্দোলন চলমান থাকা অবস্থায় কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর নির্মাণাধীন ভাস্কর্য অরক্ষিত থাকলো কীভাবে? তাছাড়া যে সিসিটিভি ফুটেজ দেখানো হচ্ছে, সেটা স্বাভাবিক ধারণকৃত সিসিটিভি ফুটেজ নয় বলে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। আমরা স্পষ্টত: দেখতে পাচ্ছি উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর মতো কুষ্টিয়ার ঘটনায় আলেম সমাজকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জড়ানোর অপচেষ্টা চলছে। সঙ্গত কারণে আমরা কুষ্টিয়ায় ভার্স্কয ভাঙচুরের ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং প্রকৃত দোষীদেরকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

আজ (৮ ডিসেম্বর) সোমবার মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফন্দী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে প্রেরিত এক যৌথ বিবৃতিতে শীর্ষ উলামা-মাশায়েখগণ এসব কথা বলনে।

বিবৃতিতে দেশের র্শীষস্থানীয় আলেমদেরকে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলায় জড়ানোর অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং র্সবস্তররে মুসলমানদরেকে সর্বক্ষেত্রে দৃঢ়পদে ঐক্যবদ্ধ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়। সেই সাথে সরকার দলীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি গায়ে পড়ে ঝগড়া বাঁধানোর পথ পরিহার করে ন্যায়সঙ্গত ও সংযত আচরণ করার অনুরোধ করা হয়। অন্যথায় পরিস্থিতির অবনতি হলে তার দায় দায়িত্ব তাদেরকেই নিতে হবে বলেও বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন- মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী, মাওলানা আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী, মাওলানা নূরুল ইসলাম জিহাদী, মাওলানা আবদুল হামিদ (পীর সাহেব মধুপুর), মাওলানা আবুল কালাম, মাওলানা আরশাদ রহমানী, মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা আবদুল আউয়াল, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা জুনায়দে আল হাবীব, মাওলানা হাফেজ নাজমুল হাসান, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফন্দেী, মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী প্রমুখ।

-এমএসআই

পূর্ববর্তি সংবাদকুষ্টিয়ার সেই ঘটনায় দুই ছাত্রের ৫ দিন, শিক্ষকদের ৪ দিন রিমান্ড মঞ্জুর
পরবর্তি সংবাদমার্কেট উচ্ছেদে গিয়ে ব্যবসায়ীদের বাধার মুখে ডিএসসিসি