ইসলাম টাইমস ডেস্ক: পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে জলদস্যুরা একটি তুর্কি মালবাহী জাহাজে হামলা চালিয়ে ১৫ জন নাবিককে অপহরণ করেছে। এ সময় জাহাজের এক নাবিককে হত্যা করেছে তারা।নিহত নাবিক আজারবাইজানের নাগরিক।
জাহাজটি গিনি উপকূলে পৌছালে জলদস্যুরা হামলা চালায়। আজ রবিবার তুরস্কের সামরিক বাহিনী উদ্ধার অভিযানের পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছে।
এমভি মোজার্ত নামে তুর্কি জাহাজটি লাগোস থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী কেপটাউনে যাচ্ছিল। পথে নাইজেরিয়ার জলদস্যুরা জাহাজে হামলা চালায় বলে জানা গেছে।
তুরস্কের মেরিটাইম ডিরেক্টরেট জানিয়েছে, জাহাজের ক্রুরা প্রথমে একটি নিরাপদ জায়গায় নিজেদের তালাবদ্ধ করে রাখে। তবে জলদস্যুরা ছয় ঘন্টা চেষ্টা করে সেখানে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়। এ সময় সংঘর্ষে এম / ভি মোজার্টে আরোহণকারী এক ক্রু সদস্য মারা যান। তুর্কি জাহাজটির ১৯ জনের মধ্যে ১৫ জনকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে জলদস্যুরা।
তুর্কি গণমাধ্যম নিহত ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেছে। তিনি আজারবাইজানের নাগরিক ইঞ্জিনিয়ার ফরমান ইসমায়েলোভ। তুরষ্কের ওই জাহাজে একমাত্র তিনিই ছিলেন অন্য দেশের নাগরিক।
তুরষ্ক পরিচালিত আনাদোলু বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, গতকাল শনিবার ক্রুদের নিয়ে যাওয়ার পরে জলদস্যুরা তিনজন নাবিককে জাহজে রেখে অন্যদের নিয়ে চলে যায়। গিনি উপসাগরে জাহাজটি ছেড়ে যায় তারা। এটি বর্তমানে গ্যাবনের পোর্ট-জেনেটেলির দিকে যাচ্ছে।
তুর্কি রাষ্ট্রপতি রজব তাইয়েব এরদোগান জাহাজে থাকা উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ফুরকান ইয়ারেনের সঙ্গে দু’বার কথা বলেছেন। তুরস্কের রাষ্ট্রপতি এক টুইট বার্তায় এ তথ্য জানান। এরদোগান অপহৃত ক্রুদের পুনরুদ্ধারের আদেশ জারি করেছেন বলেও টুইটে জানানো হয়।
নাইজেরিয়া ও গিনি উপকূলে হরহামেশাই জলদস্যুদের এ ধরনের হামলা হয়ে থাকে। জলদস্যুরা জাহাজে হামলা চালিয়ে নাবিকদের অপহরণ করে এবং মুক্তিপণের বিনিময়ে তাদের ছেড়ে দেয়।
সূত্র: আলজাজিরা।
-এনটি
















