ইসলাম টাইমস ডেস্ক: বিশ্ববিখ্যাত বুযুর্গ আলেমে দ্বীন হযরত মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর রহ. এর বিশিষ্ট খলিফা, প্রবীণ আলেম মাওলানা নূরুল হক আজমী (জ্বীন হুজুর) ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টা ১০ মিনিটে রাজধানী ঢাকার স্কায়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।
ইসলাম টাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন মরহুমের ছেলে মাওলানা গাওহার ও কামরাঙ্গিরচর জামিয়া নূরিয়া মাদরাসার শিক্ষক মুফতি আ ফ ম আকরাম হুসাইন ও মাওলানা ইলিয়াস মিসবাহ।
মরহুমের জানাযা বাদ মাগরিব কামরাঙ্গীরচরের জামিয়া নূরীয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া তাঁকে দাফন করা হবে মাকবারায়ে হাফেজ্জীতে হযরত মাওলানা আবদুল হাই পাহাড়পুরী রহ.-এর পাশে।
মাওলানা নূরুল হক আজমী দীর্ঘদিন ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ইন্তেকালের সময় তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৯০ বছর। স্ত্রীসহ তিন ছেলে দুই মেয়ে রেখে গেছেন তিনি।
মাওলানা নূরুল হক আজমী বৃহত্তর নোয়াখালীর লক্ষীপুরের বাসিন্দা। জন্ম ১৯৩১ সালের ১ জানুয়ারি। তিনি ছিলেন এদেশের শ্রদ্ধাবান আলেমদের অন্যতম। হযরত হাফেজ্জী হুযুর রহ.-এর খলিফা হওয়ার পাশাপাশি ইসলামী রাজনীতেও মাওলানা নূরুল হক ছিলেন তার সহযোগী। হাফেজ্জী হুযুর রহ. তাকে দিয়ে রাজনৈতিক চিঠিপত্রসহ বিভিন্ন লেখা লেখাতেন।
একাধিক দ্বীনী কিতাবের রচয়িতা মাওলানা নূরুল হক আজমী। তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো, ‘দেওয়ানবাগীর আল্লাহ কোনপথে?’ ও ‘বিশ্ব সৃষ্টির মাঝে আল্লাহর অস্তিত্ব’।
ঢাকার কামরাঙ্গীরচর মাদবরবাজার জামে মসজিদ ও বাইতুর রহমান জামে মসজিদের সভাপতি ছিলেন মাওলানা নূরুল হক। কেরাণীগঞ্জের বামনসুর মসজিদের ইমাম ও খতিব ছিলেন দীর্ঘদিন। এছাড়া নোয়াখালীতে মুহাম্মাদিয়া হাফিজুল উলূম মাদরাসা ও মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম ছিলেন আজীবন।
-এসএন
















