ফাঁকা পড়ে আছে ময়দান

শাহ মুহাম্মাদ খালিদ ।। টঙ্গী ময়দান থেকে

তাবলীগের আলমী শুরা এবং ওলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে বিশ্ব ইজতেমা গতকাল সমাপ্ত হওয়ার পর আজ শুরু হয়েছে মাওলানা সাদ অনুসারীদের ইজতেমা।

গেট দিয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি হবে এমনটা অনেকে আশংকা করলেও তেমন কিছু পরিলক্ষিত হয়নি । ময়দানে প্রবেশ করে জুতা পায়ে শামিয়ানার নিচ দিয়েই স্টেজ পর্যন্ত যাওয়া গেল। তখন বাদ যোহর বয়ান চলছে।

জানা গেল উর্দুতে বয়ানকারী মুরুব্বির নাম শামীম আহমদ, ভারত থেকে এসেছেন। তরজমা করছিলেন মাওলানা আশরাফ আলী, যিনি তাবলীগ বিষয়ে বিভিন্ন টিভি টকশোতে কথা বলে আলোচিত হয়েছিলেন। বয়ানে মুরুব্বি শামীমকে আমীরের এতাআত বিষয়ে আলোচনা করতে শোনা যায়। এরপর তিনি সওর গুহার ঘটনা উল্লেখ করেন, যেখানে রাসূল (সা) হযরত আবু বকর (রা) কে বলেছিলেন,
لا تحزن إن الله معنا
“ভয় করো না, আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন”।
মুরুব্বি বলছিলেন, এই ময়দানে যারা এসেছেন, যেভাবেই এসেছেন, আমাদের দায়িত্ব তাদের তাশকীল করা। যেভাবেই হোক তাশকীল করে তাদেরকে আল্লাহর রাস্তায় বের করতে হবে।

ময়দানে ঘুরে দেখা যায় এদিক সেদিক ফাঁকা পড়ে আছে। সাথীরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে আসেন। সকালের প্রবল বৃষ্টিতে বিভিন্ন জায়গায় থক থক কাদা জমে আছে। চট, ত্রিপল রশি ছিঁড়ে নিচের দিকে ঝুলছে।

কোথাও দেখা গেল শামিয়ানা আর ব্যানার ঝুলানো, নিচে কেউ নেই। সেখানে বসেছে হরেক রকম দোকানপাট। আশপাশের লোকজনকে জিজ্ঞেস করে জানা গেল তাদের সাথীরা পথে আছেন, আসছেন। তবে রাস্তায় উঠে ইজতেমামুখী কোন কাফেলা এই প্রতিবেদকের চোখে পড়েনি।

উল্লেখ্য, গতকাল আলমী শুরার ইজতেমার সমাপ্ত হওয়ার পর বিকাল পাঁচটার মধ্যে ময়দান ছেড়ে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা জারি করা হয়। তবে অনেক সাথী পাঁচটার পরেও বের হয়েছেন। এদিকে রাজলক্ষী, আব্দুল্লাহপুর, উত্তরা ১০ নং সেক্টরে মাওলানা সাদের অনুসারীরা তাবু খাটিয়ে ময়দানে প্রবেশের অপেক্ষা করছিলেন। পরবর্তীতে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ময়দান ফাঁকা হওয়ার পর তারা সেখানে প্রবেশ করেন।

পূর্ববর্তি সংবাদসেমিনারি চাইলে গ্রিসে ফাতিয়া মসজিদ খুলে দিন: এরদোগান
পরবর্তি সংবাদভারত একটি ভিত্তিহীন জিনিসকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে : পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়