ইসলাম টাইমস ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের উদ্যোগে ২ নং জোন খিলগাঁওয়ের ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় আগামী মার্চের মধ্যে পঞ্চগড় ও ঢাকায় খতমে নবুওয়াত মহাসম্মেলনের ডাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) খিলগাঁও চৌরাস্তা মাখজানুল উলুম মাদ্রাসায়। ইমাম সম্মেলনে খিলগাঁও, সবুজবাগ, রামপুরা, মুগদা, শাহজাহানপুর, মতিঝিল, পল্টন, রমনা ও শাহবাগ থানার মসজিদসমূহের ইমামগণ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইমামদের উদ্দেশ্যে বেফাকের সহ-সভাপতি আল্লামা আশরাফ আলী বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বশেষ নবী না মানার কারণে কাদিয়ানীরা কাফের। আমাদের দায়িত্ব হলো হলো, এ বিষয়টি নিজে ভালো করে জানা এবং মুসল্লিদেরকে জানানো। আর ঐক্যবদ্ধভাবে কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। যাতে শেষ নবীকে অস্বীকারকারী মুসলিম নামধারী কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে কাফের ঘোষণা করে।
সেক্রেটারি জেনারেল আল্লামা নুরুল ইসলাম বলেন, কাদিয়ানীদের অপতৎপরতার বিষয়ে আমরা সজাগ। আমাদের এই আন্দোলন ও প্রতিবাদ সরকারের বিরুদ্ধে নয়; বরং শেষনবীকে অস্বীকারকারী কাদিয়ানি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে। আমাদের দাবি, নবীর দুশমন মুসলিম নামধারী ধোকাবাজ আহমদিয়া জামাতকে অবিলম্বে পৃথিবীর অন্য ৪২টি দেশের ন্যায় মুসলমানের বাংলাদেশেও কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করা।
সভায় মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের গরীব-দুঃখী ও সরলমনা মানুষকে অর্থ সম্পদের লোভ দেখিয়ে কাদিয়ানীরা তাদের ঈমান হরণ করছে। সে হিসেবে তারা পঞ্চগড়কে উপযুক্ত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের প্রোপাগান্ডা চালানোর লক্ষ্যে কয়েকটা এলাকা কিনে আহমদনগর নাম দিয়েছে।
ইমাম সম্মেলনে অন্যান্য বক্তা কাদিয়ানীদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা, তাদের সমস্ত প্রকাশনা নিষিদ্ধ করা, ইসলাম ও মুসলমানদের পরিভাষা ব্যবহার নিষিদ্ধ করা ও প্রতিটি সমাজে তাদের বয়কট করা সহ তাদের যাবতীয় অপতৎপরতা বন্ধের বিষয়ে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি প্রস্তাব জানান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, বেফাক-এর সহ-সভাপতি আল্লামা আশরাফ আলী, সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল আল্লামা নুরুল ইসলাম, মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানী, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, মাওলানা ফজলুল করিম কাসেমী, ছারছীনার পীর মাওলানা সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুবহানী, সচিবালয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা ওমর ফারুক, সুপ্রিম কোর্ট মসজিদের খতিব মাওলানা সালিম উল্লাহ, মাওলানা জহুরুল ইসলাম, মাওলানা ইউনুস ঢালী, মাওলানা মাসুদ আহমদ মাওলানা রাশেদ বিন নুর, মুফতি আব্দুর রশিদ-সহ খতমে নবুওয়াতের কেন্দ্রীয় ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ।
















