‘রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো না গেলে দেশের স্থিতিশীলতা ব্যাহত হতে পারে’

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: অনির্দিষ্টকালের জন্য মিয়ানমারের ১১ লক্ষাধিক নাগরিককে অন্ন, বস্ত্র, ও বাসস্থানের সংস্থান করা আমাদের জন্য দুরূহ ব্যাপার। এইসব বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা অধিবাসীরা স্বাভাবিকভাবেই অসন্তুষ্টিতে ভুগছে। তাদের রয়েছে অনেক অভাব-অভিযোগ। তাদেরকে অতিদ্রুত ফেরত পাঠাতে না পারলে দেশের স্থিতিশীলতা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বুধবার সংসদের বাজেট অধিবেশনে  নূর মোহাম্মদের (কিশোরগঞ্জ-২) লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এরআগে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বসহ প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে প্রথম থেকেই একটি স্থায়ী সমাধানের জন্য আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

গত ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে ‘এগ্রিমেন্ট অন রিটার্ন অব ডিসপ্লেসড পার্সনস ফরম রাখাইন স্ট্যাট’ শীর্ষক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ লক্ষে দু’দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে যৌথ ওয়াকিং গ্রুপ গঠন করে তার টার্ম অব রেফারেন্স নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া চলতি বছর দু’দেশের মধ্যে ‘ফিজিক্যাল এগ্রিমেন্ট অন রিটার্ন’ স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির বাধ্যবাদকতা অনুযায়ী আশ্রিত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনে সহযোগিতার জন্য জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার সাথে চলতি বছর দু’টি সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

পূর্ববর্তি সংবাদ‘ডিআইজি মিজান চাইলে আত্মসমর্পণ করতে পারেন’
পরবর্তি সংবাদসিসিইউতে এরশাদের অবস্থা ফের ‘সংকটাপন্ন’