তাবলীগের চিল্লার সফরে মুসুল্লিরা কি নামায কসর করবে?

প্রশ্ন: তাবলীগ জামাতের মারকায ঢাকা কাকরাইল মসজিদ থেকে ৪০, ২০, ৭, ৩ দিনের জন্য বিভিন্ন মহল্লা, গ্রাম, শহর, পৌরসভা, থানা বা জেলাভিত্তিক জামাত পাঠানো হয়ে থাকে। এ অবস্থায় তাবলীগ জামাতের ভাইদের নামাযের হুকুম কী হবে?

কিছু ভাই বলে থাকেন, তাবলীগ জামাতে বের হয়ে যেহেতু একই মসজিদে ১৫ দিনের বেশি অবস্থান করা হয় না তাই সদা-সর্বদা মুসাফির থাকবে। তাদের এ কথা কতটুকু ঠিক?

এখানে আরো উল্লেখ্য যে, একই মসজিদ বা একই মহল্লা, গ্রাম, ইউনিয়ন, থানা বা জেলার ভিতর ১৫ দিনের বেশি থাকলে নামাযের হুকুম কী হবে?

উত্তর: যে ব্যক্তি ঢাকা সিটিতে মুকীম সে কাকরাইল থেকে সফরসম দূরত্বে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হলে ঢাকা সিটির সীমানা ত্যাগ করার পর থেকে সে মুসাফির গণ্য হবে এবং পথিমধ্যে মুসাফির ইমামের পেছনে বা একাকী নামায পড়লে কসর করতে হবে। অর্থাৎ চার রাকাতবিশিষ্ট ফরয নামায দুই রাকাত পড়তে হবে। আর মুকীমের পিছনে পড়লে পুরো চার রাকাত পড়তে হবে।

গন্তব্যস্থলে পৌঁছে একটি গ্রাম বা একটি শহরের বিভিন্ন মসজিদে লাগাতার ১৫ দিন বা তার বেশি থাকার নিয়ত করলে ঐ গ্রাম বা শহরে সে মুকীম গণ্য হবে। কিন্তু এক গ্রাম বা এক শহর না হয়ে পুরো জেলা বা উপজেলায় কিংবা এক ইউনিয়নের একাধিক গ্রামে ১৫ দিন বা তার বেশি অবস্থানের নিয়ত করলে সে মুকীম হবে না; বরং মুসাফিরই থাকবে।

তদ্রƒপ শহর ও শহরতলী মিলে ১৫ দিন বা তার বেশি অবস্থানের নিয়ত করলেও মুসাফির থাকবে।

তেমনি এক গ্রাম বা এক শহরের বিভিন্ন মসজিদে ১৫ দিনের কম থাকার নিয়ত করলে ঐ গ্রাম বা শহরেও সে মুসাফির গণ্য হবে।

আর মুকীম ব্যক্তি কাকরাইল থেকে ৭৮ কিলোমিটারের কম দূরত্বে সফরের জন্য বের হলে পথিমধ্যে এবং গন্তব্যস্থলে মুকীম গণ্য হবে।

তবে যে কাকরাইলে মুসাফির থাকবে সে কাকরাইল থেকে ৭৮ কিলোমিটারের কম দূরত্বে গেলেও মুসাফিরই থাকবে।

কোনো এক মসজিদে ১৫ দিনের বেশি অবস্থান না করলে সর্বদা মুসাফির থাকবে- এমন বক্তব্য সঠিক নয়।

পূর্ববর্তি সংবাদদেশের নিরাপত্তারক্ষায় বিশেষ ভূমিকার কারণে পাক সেনাপ্রধানের ৩ বছর মেয়াদ বৃদ্ধি
পরবর্তি সংবাদকমছে না ডেঙ্গু, একদিনে পাঁচ জেলায় আরও ৭ জনের মৃত্যু, চলছে ডেঙ্গু লার্ভা বিরোধী অভিযান-জরিমানা