ইসলাম টাইমস ডেস্ক: দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়ার পর সুপার সাইক্লোনের শক্তি নিয়ে উপকূলে দিকে এগিয়ে আসছে ‘আম্পান’। আর উপকূল অতিক্রম করে সমতলে ওঠে আসার সময় ঘুর্ণিঝড়টি বয়ে যেতে পারে ১৪ জেলার ওপর দিয়ে।
এ অবস্থায় মােংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরােজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভােলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা নােয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) আবহাওয়াবিদ মো. আবদুর রহমান খান স্বাক্ষরিত আম্পানের ২৩ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটিই জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুপার সাইক্লোন আম্পান উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি মঙ্গলবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৯০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৪০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, মােংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৮৫ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৭৭৫ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।
উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে ১৯ মে শেষরাত হতে ২০ মে বিকেল অথবা সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
সুপার সাইক্লোন কেন্দ্রের ৯০ কিমির মধ্যে বর্তমানে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২২৫ কিমি, যা দমকা অথবা ঝড়াে হাওয়ার আকারে ২৪৫ কিমি পর্যন্ত বাড়ছে। সুপার ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
বর্তমানে ঝড়টির যে অভিমুখ রয়েছে বাংলাদেশের ময়মনসিংহ অঞ্চলের ওপর দিয়ে সীমান্তের ওপারে আসাম পর্যন্ত নির্দেশ করছে। আম্পানের প্রভাবে সারাদেশে বজ্রঝড়-ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের আশঙ্কা করা হয়েছে।
















