ওয়ারিস রব্বানী ।।
শীতের কষ্ট থেকে গরিব মানুষ যেন বাঁচতে পারে সেজন্য প্রতিবছর শীতের মৌসুমে মানবদরদি দ্বীনদার মানুষেরা শীতবস্ত্র বিতরণে নানা রকম আয়োজন হাতে নিয়ে থাকেন। অনেক সময় এ ধরনের আয়োজন নিয়ে গুছিয়ে উঠতে উঠতে ফেব্রুয়ারি-মার্চ চলে আসে। তখন শীত বেশি থাকে কিন্তু শীতের মৌসুম থাকে একদম শেষ দিকে। শীতের প্রায় পুরোটা মৌসুম পার হওয়ার পরে অনেকে হাতে শীতের কাপড় পায়। এজন্য দরকার মৌসুমের শুরুতেই এজাতীয় উদ্যোগগুলো নেওয়া।
গত দুদিন ধরে ভাল শীত পড়তে শুরু করেছে। আবহাওয়া অফিস সূত্রে বোঝা যাচ্ছে, এ মৌসুমের শীত শুরু হয়ে গেছে। খোলাবাজারে শীতের কাপড় উঠতে শুরু করেছে। এই নভেম্বরের শেষ দিকে এবং ডিসেম্বরের শুরুর দিকে গরিব ভাই-বোনদের কাছে শীতের কাপড় পৌঁছে দেওয়ার উপযুক্ত সময়। এ সময়টায় শীতের কাপড় পৌঁছে দিলে পুরো মৌসুমের জন্য সেটা তার কাজে লাগবে।
এ জন্য এখনই ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং ছোট-মাঝারি-বড় সামষ্টিক উদ্যোগগুলো নেওয়ার সময় যাচ্ছে। চলুন, এখন থেকেই আমরা নড়াচড়া শুরু করি। করোনা ভাইরাস ঘটিত অর্থ সঙ্কট ইত্যাদি কারণে এ সময়টাতে অন্যান্য বছরের তুলনায় শীতের কাপড় সংগ্রহে গরিব ভাই-বোনদের সামর্থের পরিমাণটা একটু কম থাকার কথা। সুতরাং এখনই শীতবস্ত্র নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় যাচ্ছে। যার যার সামর্থ্য ও উদ্যোগ নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠি।
আল্লাহ তা’আলা আমাদের চেষ্টা এবং কর্মোদ্যম কবুল করুন।
এম এস আই
















